ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ভূমিকম্পের পর

নিজস্ব সংবাদ :

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি দুর্বল নিম্নচাপ তীব্রতর হয়ে ‘সুস্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলে’ রূপ নিয়েছে, যা আগামীকাল সোমবার আরও শক্তিশালী হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে। দুদিনে চারবার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর ঘূর্ণিঝড় বাড়তি শঙ্কা তৈরি করেছে জনমনে।

আজ ২৩ নভেম্বর পাওয়া সর্বশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুসায়ী আগামী ২৬/২৭ নভেম্বর দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে (আন্দামান ও নিকবার দ্বীপের দক্ষিণ পাশে) একটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা করা যাচ্ছে। এ লঘুচাপটি পর্যায়ক্রমে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ ও সর্বশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

জলবায়ু বিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ

কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব এনভাইরোনমেন্ট অ্যান্ড সাস্টেনিবিলিটির আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, আজ ২৩ নভেম্বর পাওয়া সর্বশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুসায়ী আগামী ২৬/২৭ নভেম্বর দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে (আন্দামান ও নিকবার দ্বীপের দক্ষিণ পাশে) একটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা করা যাচ্ছে। এ লঘুচাপটি পর্যায়ক্রমে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ ও সর্বশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে— এ বিষয়ে সব আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল একমত হলেও সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি কেমন পরিমাণে শক্তিশালী হবে ও কোন স্থানের ওপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করবে এই বিষয়ে বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল ভিন্ন-ভিন্ন পূর্বাভাস দিচ্ছে।

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য থেকে শুরু করে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলের মধ্যবর্তী যেকোনো স্থানের ওপর দিয়ে উপকূলে আঘাত করার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে ২৬ নভেম্বর অধিক নিশ্চয়তা সহকারে জানা যাবে, সম্ভব্য ঘূর্ণিঝড়টি কেমন পরিমাণে শক্তিশালী হবে ও কোনো স্থানের ওপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করবে।

আরও পড়ুন

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে ডিসেম্বর মাসের ৩ তারিখ থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশের উপরে হালাক থেকে মাঝারি মানের বৃষ্টিপাতের প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। ফলে জমিতে থাকা পাকা আমন ধান কাটা ও মাড়াই করা শেষ করার পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। শীতকালীন শাক-সবজি চাষিরা সম্ভব্য এই বৃষ্টিপাতের কথা মাথায় রেখে বীজ বোনা ও জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখার জন্য পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত রৌদ্রোজ্জল আবহাওয়া বিরাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে পুরো দেশে।

আরও পড়ুন

ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখের পর থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র উত্তাল হওয়ার শুরু করার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। ১ ডিসেম্বরের মধ্যে উপকূলে ফেরার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে সমুদ্রে মাছ ধরা সকল ট্রলারকে। ৩০ নভেম্বরের পরে নতুন করে সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

১ ডিসেম্বরের পর থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র উত্তাল হওয়ার শুরু করার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
৮৭ বার পড়া হয়েছে

এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ভূমিকম্পের পর

আপডেট সময় ০৬:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি দুর্বল নিম্নচাপ তীব্রতর হয়ে ‘সুস্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলে’ রূপ নিয়েছে, যা আগামীকাল সোমবার আরও শক্তিশালী হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে। দুদিনে চারবার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর ঘূর্ণিঝড় বাড়তি শঙ্কা তৈরি করেছে জনমনে।

আজ ২৩ নভেম্বর পাওয়া সর্বশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুসায়ী আগামী ২৬/২৭ নভেম্বর দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে (আন্দামান ও নিকবার দ্বীপের দক্ষিণ পাশে) একটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা করা যাচ্ছে। এ লঘুচাপটি পর্যায়ক্রমে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ ও সর্বশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

জলবায়ু বিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ

কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব এনভাইরোনমেন্ট অ্যান্ড সাস্টেনিবিলিটির আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, আজ ২৩ নভেম্বর পাওয়া সর্বশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুসায়ী আগামী ২৬/২৭ নভেম্বর দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে (আন্দামান ও নিকবার দ্বীপের দক্ষিণ পাশে) একটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা করা যাচ্ছে। এ লঘুচাপটি পর্যায়ক্রমে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ ও সর্বশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে— এ বিষয়ে সব আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল একমত হলেও সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি কেমন পরিমাণে শক্তিশালী হবে ও কোন স্থানের ওপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করবে এই বিষয়ে বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল ভিন্ন-ভিন্ন পূর্বাভাস দিচ্ছে।

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য থেকে শুরু করে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলের মধ্যবর্তী যেকোনো স্থানের ওপর দিয়ে উপকূলে আঘাত করার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে ২৬ নভেম্বর অধিক নিশ্চয়তা সহকারে জানা যাবে, সম্ভব্য ঘূর্ণিঝড়টি কেমন পরিমাণে শক্তিশালী হবে ও কোনো স্থানের ওপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করবে।

আরও পড়ুন

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে ডিসেম্বর মাসের ৩ তারিখ থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশের উপরে হালাক থেকে মাঝারি মানের বৃষ্টিপাতের প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। ফলে জমিতে থাকা পাকা আমন ধান কাটা ও মাড়াই করা শেষ করার পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। শীতকালীন শাক-সবজি চাষিরা সম্ভব্য এই বৃষ্টিপাতের কথা মাথায় রেখে বীজ বোনা ও জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখার জন্য পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত রৌদ্রোজ্জল আবহাওয়া বিরাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে পুরো দেশে।

আরও পড়ুন

ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখের পর থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র উত্তাল হওয়ার শুরু করার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। ১ ডিসেম্বরের মধ্যে উপকূলে ফেরার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে সমুদ্রে মাছ ধরা সকল ট্রলারকে। ৩০ নভেম্বরের পরে নতুন করে সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

১ ডিসেম্বরের পর থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র উত্তাল হওয়ার শুরু করার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/radiodurbar/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481