Dhaka 1:45 am, Thursday, 10 September 2026
News Title :
সমুদ্রের প্রেমে মগ্ন পূজা চেরী সংঘাত নয়, প্রতিশোধ নয়—ভালোবাসার মধ্য দিয়ে সমাজ গড়তে চাই: রাষ্ট্রপতি ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর আভাস দিলেন ট্রাম্প, পাঠাচ্ছেন জামাতা ও দূত বিশ্বজুড়ে বিপর্যয়ের মুখে চ্যাটজিপিটি আপা ঘন ঘন আওয়াজ দেন, সাহস থাকলে আসিয়া পড়েন: শেখ হাসিনাকে গয়েশ্বর মেসির পর অবসরে আরেক বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের একাত্তরে মুসলিম লীগ করায় শান্তি কমিটিতে ছিলেন আসিফ আকবরের বাবা দুবাইয়ে থাকা সম্পদ নিয়ে ৭৩ বাংলাদেশির তথ্য চায় দুদক ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে স্কচটেপ মোড়ানো অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার

ধেয়ে আসছে ‘অতি শক্তিশালী’ এল নিনো, সতর্ক করল জাতিসংঘ

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:21:24 pm, Thursday, 3 September 2026
  • 24 Time View

শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল নিনোর প্রভাবে বিশ্ব ‘চরম আবহাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে’ প্রবেশ করেছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলমান এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে এবং অন্তত ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এর প্রভাব থাকতে পারে। এমনকি এটি ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোতে পরিণত হওয়ার শঙ্কাও রয়েছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এল নিনোর কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়ার ধরনে বড় পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। কোথাও তীব্র খরা ও দাবানল, আবার কোথাও অতিবৃষ্টি, বন্যা ও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বাড়বে। এর সঙ্গে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করতে পারে।

জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস বলেন, এল নিনো ‘আমাদের চোখের সামনে আরও বড় আকার ধারণ করছে’। পৃথিবী এখন এমন এক অজানা পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে, যেখানে তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ এলাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ইতোমধ্যে স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বেড়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক মাসে এই ব্যবধান প্রায় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এতে খরা ও দাবানলের ঝুঁকি বাড়তে পারে। অন্যদিকে পূর্ব আফ্রিকা, দক্ষিণ ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলের কিছু এলাকায় অতিবৃষ্টির কারণে বন্যার শঙ্কা রয়েছে।

ডব্লিউএমও মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো সতর্ক করে বলেছেন, এল নিনো বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা ও প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

অ্যান্তেনিও গুতেরেস জাতিসংঘ এল নিনো

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

RJ Saimur Rahman

Popular Post

সমুদ্রের প্রেমে মগ্ন পূজা চেরী

ধেয়ে আসছে ‘অতি শক্তিশালী’ এল নিনো, সতর্ক করল জাতিসংঘ

Update Time : 07:21:24 pm, Thursday, 3 September 2026

শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল নিনোর প্রভাবে বিশ্ব ‘চরম আবহাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে’ প্রবেশ করেছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলমান এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে এবং অন্তত ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এর প্রভাব থাকতে পারে। এমনকি এটি ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোতে পরিণত হওয়ার শঙ্কাও রয়েছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এল নিনোর কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়ার ধরনে বড় পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। কোথাও তীব্র খরা ও দাবানল, আবার কোথাও অতিবৃষ্টি, বন্যা ও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বাড়বে। এর সঙ্গে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করতে পারে।

জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস বলেন, এল নিনো ‘আমাদের চোখের সামনে আরও বড় আকার ধারণ করছে’। পৃথিবী এখন এমন এক অজানা পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে, যেখানে তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ এলাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ইতোমধ্যে স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বেড়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক মাসে এই ব্যবধান প্রায় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এতে খরা ও দাবানলের ঝুঁকি বাড়তে পারে। অন্যদিকে পূর্ব আফ্রিকা, দক্ষিণ ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলের কিছু এলাকায় অতিবৃষ্টির কারণে বন্যার শঙ্কা রয়েছে।

ডব্লিউএমও মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো সতর্ক করে বলেছেন, এল নিনো বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা ও প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

অ্যান্তেনিও গুতেরেস জাতিসংঘ এল নিনো