Dhaka 11:44 pm, Wednesday, 29 July 2026
News Title :
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা রাখে: রাশেদ খাঁন অনুমোদন ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত, ৪ চিকিৎসককে বরখাস্ত কারামুক্ত হলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল হাসিনার ইচ্ছা পূরণে অপচয় ৪৪ কোটি টাকা টানা আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ আমতলীতে শিশু শ্রম, বাল্যবিবাহ ও স্কুল ঝরে পড়া প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত আমতলীতে স্বামীর পরকিয়ার বলি স্ত্রী! হাসপাতালে মরদেহ রেখে পালালো স্বামী ও তার স্বজনরা। গ্রেপ্তার-১ হতদরিদ্র পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই সংস্কারে সহায়তার হাত বাড়ালেন বিএনপি নেতা ফজলুল মুরাদ শনিবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

মেসির জন্য দেশ ছেড়েছিলেন রোকুজ্জো

  • Reporter Name
  • Update Time : 08:18:07 pm, Wednesday, 25 March 2026
  • 54 Time View

সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান:
শৈশবেই পরিচয়, সেখান থেকেই প্রেম, বিয়ে এবং একসঙ্গে পথ চলার শুরু—লিওনেল মেসি এবং আন্তোনেলা রোকুজ্জোর সম্পর্কটা যেন এক রূপকথার গল্পের মতোই। এমনকি মেসির বর্ণিল ফুটবলীয় ক্যারিয়ারটাও কোনো রূপকথার গল্পের চেয়ে কম কিছু না।

আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে ছোটবেলায় মেসি-রোকুজ্জোর পরিচয় হয়। সেই সময় মেসি নিউওয়েল ওল্ড বয়েজ-এর বয়সভিত্তিক দলে খেলতেন। সেখান থেকেই তাদের বন্ধুত্ব এবং পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়। মেসি যখন বার্সেলোনায় যোগ দেন, কিছুদিন পর ১৯ বছর বয়সে আন্তোনেলাও স্পেনে চলে আসেন।

আন্তোনেলার জন্য বিদেশে যাওয়া সহজ ছিল না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পরিবার এবং বন্ধুদের ছেড়ে বিদেশে যাওয়া তার জন্য ছিল সবচেয়ে কঠিন অভিজ্ঞতা। তবে এই কঠিন সময়ে তিনি শিখেছেন নতুন পরিবেশে মানিয়ে চলা এবং নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলা।

মেসির ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপে আন্তোনেলা তার পাশে ছিলেন। মেসির প্রতিটি উত্থান-পতনের সাক্ষী ছিলেন, কাছে থেকে তার সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছেন। বার্সেলোনায় মেসির ক্যারিয়ারের সেরা সময়ের পর পিএসজি এবং ২০২৩ সালে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার পরেও মেসির সঙ্গে পরিবার নিয়ে নতুন জীবন শুরু করেন রোকুজ্জো।

এ পথচলায় তাদের পরিবারও বড় হয়েছে। ২০১২ সালে প্রথম সন্তান থিয়াগো, ২০১৫ সালে দ্বিতীয় ছেলে মাতেও, এবং ২০১৮ সালে তৃতীয় ছেলে সিরোর জন্ম হয়। তবে পরিবারের কাছ থেকে দূরে থাকা কখনোই সহজ ছিল না আন্তোনেলার জন্য। তিনি বলেন, জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলোতে পরিবারের পাশে না থাকাটা তার জন্য অনেক কষ্টের ছিল।

তবে নতুন জায়গায় নতুন মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্কও তাদের শক্তি হয়ে উঠেছে। সতীর্থদের পরিবারই হয়ে উঠেছে তাদের পরিবার। জর্দি আলবা, সের্হিও বুসকেটস, লুইস সুয়ারেজ এবং ফ্র্যাব্রিগাসের সঙ্গে তারা উৎসব ও বিশেষ মুহূর্তগুলো ভাগ করেছেন।

তাদের দীর্ঘ যাত্রার সবচেয়ে আবেগময় মুহূর্ত আসে ২০২২ সালে কাতারে, যখন মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জয় করেন। পরিবারের উপস্থিতিতে মেসির বহু বছরের স্বপ্ন পূর্ণতা পায়। তার ফুটবলীয় ক্যারিয়ারটাই যেন পূর্ণতা পায় সোনালী সেই ট্রফির ছোঁয়ায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

RJ Saimur Rahman

Popular Post

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম

মেসির জন্য দেশ ছেড়েছিলেন রোকুজ্জো

Update Time : 08:18:07 pm, Wednesday, 25 March 2026

সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান:
শৈশবেই পরিচয়, সেখান থেকেই প্রেম, বিয়ে এবং একসঙ্গে পথ চলার শুরু—লিওনেল মেসি এবং আন্তোনেলা রোকুজ্জোর সম্পর্কটা যেন এক রূপকথার গল্পের মতোই। এমনকি মেসির বর্ণিল ফুটবলীয় ক্যারিয়ারটাও কোনো রূপকথার গল্পের চেয়ে কম কিছু না।

আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে ছোটবেলায় মেসি-রোকুজ্জোর পরিচয় হয়। সেই সময় মেসি নিউওয়েল ওল্ড বয়েজ-এর বয়সভিত্তিক দলে খেলতেন। সেখান থেকেই তাদের বন্ধুত্ব এবং পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়। মেসি যখন বার্সেলোনায় যোগ দেন, কিছুদিন পর ১৯ বছর বয়সে আন্তোনেলাও স্পেনে চলে আসেন।

আন্তোনেলার জন্য বিদেশে যাওয়া সহজ ছিল না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পরিবার এবং বন্ধুদের ছেড়ে বিদেশে যাওয়া তার জন্য ছিল সবচেয়ে কঠিন অভিজ্ঞতা। তবে এই কঠিন সময়ে তিনি শিখেছেন নতুন পরিবেশে মানিয়ে চলা এবং নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলা।

মেসির ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপে আন্তোনেলা তার পাশে ছিলেন। মেসির প্রতিটি উত্থান-পতনের সাক্ষী ছিলেন, কাছে থেকে তার সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছেন। বার্সেলোনায় মেসির ক্যারিয়ারের সেরা সময়ের পর পিএসজি এবং ২০২৩ সালে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার পরেও মেসির সঙ্গে পরিবার নিয়ে নতুন জীবন শুরু করেন রোকুজ্জো।

এ পথচলায় তাদের পরিবারও বড় হয়েছে। ২০১২ সালে প্রথম সন্তান থিয়াগো, ২০১৫ সালে দ্বিতীয় ছেলে মাতেও, এবং ২০১৮ সালে তৃতীয় ছেলে সিরোর জন্ম হয়। তবে পরিবারের কাছ থেকে দূরে থাকা কখনোই সহজ ছিল না আন্তোনেলার জন্য। তিনি বলেন, জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলোতে পরিবারের পাশে না থাকাটা তার জন্য অনেক কষ্টের ছিল।

তবে নতুন জায়গায় নতুন মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্কও তাদের শক্তি হয়ে উঠেছে। সতীর্থদের পরিবারই হয়ে উঠেছে তাদের পরিবার। জর্দি আলবা, সের্হিও বুসকেটস, লুইস সুয়ারেজ এবং ফ্র্যাব্রিগাসের সঙ্গে তারা উৎসব ও বিশেষ মুহূর্তগুলো ভাগ করেছেন।

তাদের দীর্ঘ যাত্রার সবচেয়ে আবেগময় মুহূর্ত আসে ২০২২ সালে কাতারে, যখন মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জয় করেন। পরিবারের উপস্থিতিতে মেসির বহু বছরের স্বপ্ন পূর্ণতা পায়। তার ফুটবলীয় ক্যারিয়ারটাই যেন পূর্ণতা পায় সোনালী সেই ট্রফির ছোঁয়ায়।