Dhaka 4:45 am, Thursday, 17 September 2026
News Title :
নতুন পে স্কেল: সব চাকরিজীবী পাবেন মোবাইল ভাতা বই পড়ার অভ্যাস কমছে, নাকি বদলে যাচ্ছে পাঠের ধরন? ‘ইলিশের দেশে’ ইলিশ আসছে ভারত থেকে! দ্রব্যমূল্য- নিম্ন আয়ের ক্রেতার কাছে ডিমও এখন দামি বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা ইসরাত পায়েল স্কুলে ভর্তিতে আসছে নতুন নিয়ম, তিন বিষয়ে দিতে হবে পরীক্ষা বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬ শীর্ষ ৫০ উদ্ভাবনে ড্যাফোডিল এআইয়ের ৬ প্রকল্প জাতির প্রয়োজনে সরকারকে যে কোনো সময় সহযোগিতা করবে বিরোধী দল: শফিকুর রহমান যুদ্ধ ও গণহত্যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না: ট্রাম্পকে আয়ারল্যান্ডের বার্তা দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহারে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রে কে?

  • Reporter Name
  • Update Time : 09:12:54 pm, Thursday, 23 April 2026
  • 75 Time View

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতার নাম ঘোষণা করা হলেও দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থার কাঠামো এবং ক্ষমতা আসলে কার হাতে রয়েছে, সে সম্পর্কে নানা আলোচনা রয়েছে।

বিবিসি ফার্সির সংবাদদাতা ঘোনচে হাবিবিয়াজাদ লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অধিকারী হিসেবে পরিচিত।

তবে গত মার্চের শুরুতে নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে তাকে এখনো জনসমক্ষে কিংবা সাম্প্রতিক কোনো ভিডিও বা ছবিতে দেখা যায়নি।

দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনাকারীরা খামেনির ‘নির্দেশনা’ অনুযায়ী কাজ করছেন। তিনি সরাসরি আলোচনার বিষয়ে কোনো কথা বলেননি। তবে তার নামে প্রচারিত সাম্প্রতিক বার্তাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দলটি। তাতে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে বেশ সক্রিয় ও প্রভাবশালী ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে।

গালিবাফের সঙ্গে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আইআরজিসির প্রভাব কেবল একটি প্রথাগত সামরিক বাহিনীর ভূমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিশেষ করে যুদ্ধকালীন সময়ে।

যদিও আইআরজিসি যুদ্ধে তাদের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাকে হারিয়েছে, তবুও তারা প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পাশাপাশি একটি সমান্তরাল সরকার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

পেজেশকিয়ান নিয়মিত বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন। তবে তার হাতে আসলে কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন রয়ে যায়। এই প্রশ্নগুলো আরও জোরাল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র চাইলেও আলোচনায় বসতে ইরানের অনাগ্রহ দেখে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

RJ Saimur Rahman

Popular Post

নতুন পে স্কেল: সব চাকরিজীবী পাবেন মোবাইল ভাতা

ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রে কে?

Update Time : 09:12:54 pm, Thursday, 23 April 2026

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতার নাম ঘোষণা করা হলেও দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থার কাঠামো এবং ক্ষমতা আসলে কার হাতে রয়েছে, সে সম্পর্কে নানা আলোচনা রয়েছে।

বিবিসি ফার্সির সংবাদদাতা ঘোনচে হাবিবিয়াজাদ লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অধিকারী হিসেবে পরিচিত।

তবে গত মার্চের শুরুতে নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে তাকে এখনো জনসমক্ষে কিংবা সাম্প্রতিক কোনো ভিডিও বা ছবিতে দেখা যায়নি।

দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনাকারীরা খামেনির ‘নির্দেশনা’ অনুযায়ী কাজ করছেন। তিনি সরাসরি আলোচনার বিষয়ে কোনো কথা বলেননি। তবে তার নামে প্রচারিত সাম্প্রতিক বার্তাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দলটি। তাতে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে বেশ সক্রিয় ও প্রভাবশালী ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে।

গালিবাফের সঙ্গে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আইআরজিসির প্রভাব কেবল একটি প্রথাগত সামরিক বাহিনীর ভূমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিশেষ করে যুদ্ধকালীন সময়ে।

যদিও আইআরজিসি যুদ্ধে তাদের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাকে হারিয়েছে, তবুও তারা প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পাশাপাশি একটি সমান্তরাল সরকার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

পেজেশকিয়ান নিয়মিত বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন। তবে তার হাতে আসলে কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন রয়ে যায়। এই প্রশ্নগুলো আরও জোরাল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র চাইলেও আলোচনায় বসতে ইরানের অনাগ্রহ দেখে।